নাদের চৌধুরীর মাতৃবিয়োগ। ইনু-আম্বিয়ার শোক
 
জাসদ কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সাংস্কৃতিক সম্পাদক, বিশিষ্ট নাট্যাভিনেতা, ৭০-৮০ দশকে স্বৈরাচারী দুঃশাসন ও সামরিক শাসন বিরোধী গণতান্ত্রিক ছাত্র আন্দোলনের সাহসী নেতা, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি ও ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি নাদের চৌধুরীর মাতা আনোয়ারা বেগম আজ ১৭ নভেম্বর বৃহস্পতিবার ভোর ৪টায় গুলশান শিকদার মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন (ইন্না-----রাজেউন)তিনি দীর্ঘ দিন যাবত হৃদরোগসহ বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেনমৃত্যকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছরতিনি তিন পুত্র, এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন-গুণগ্রাহী রেখে গেছেনতার প্রবাসে বসবাসরত পুত্র-কন্যাদের শেষ দেখা দেখানোর জন্য তার মরদেহ বারডেম হাসপাতালের মর্চুয়ারি রেখে দেয়া হয়েছেআগামীকাল শুক্রবার বাদ জুম্মা তাজমহল রোডস্থ মোহাম্মদপুর জামে মসজিদে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে এবং মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থানে দাফন করা হবে
নাদের চৌধুরীর মাতা আনোয়ারা বেগমের মৃত্যুতে জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু এমপি ও সাধারণ সম্পাদক শরীফ নুরুল আম্বিয়া আজ এক শোক বার্তায় গভীর শোক প্রকাশ এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন
 
৩৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে জাসদের আলোচনা সভা

একলা চল নীতি পরিহার করে ঐক্যের শক্তি কাজে লাগিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর খালেদার ষড়যন্ত্র প্রতিহত করুন। শাসন-প্রশাসনের ভুল-ত্রুটি সংশোধন করুন। অদক্ষ-অযোগ্য মন্ত্রী-আমলাদের বোঝা কাঁধ থেকে নামিয়ে ফেলুন। আগামী দুই বছরের প্রতিটি দিন কাজে লাগান

-প্রধানমন্ত্রীর প্রতি হাসানুল হক ইনু
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু এমপি বলেন, দেশ আজ এক কঠিন ও জটিল সময় অতিক্রম করছে। একদিকে সরকারের শাসন-প্রশাসনে ভুল-ত্রুটির কারণে জনজীবনে দুর্ভোগ ও কষ্ট চলছে। অন্যদিকে যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানো এবং জঙ্গীবাদী-মৌলবাদী-সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর পুনরুত্থানের ষড়যন্ত্র চলছে। এরকম পরিস্থিতিতে এক কঠিন অগ্নি পরীক্ষা নিয়ে আগামী ২০১৪ সালের নির্বাচন আসছে। ২০১৪ সালের নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের ধারা অব্যাহত থাকবে, না-কি জঙ্গীবাদী-মৌলবাদী-সাম্প্রদায়িক শক্তি ফিরে আসবে- এ কঠিন প্রশ্নের মুখোমুখি সমগ্র দেশবাসী। তিনি বলেন, মহাজোট সরকারের বিকল্প বিএনপি-জামাত-মৌলবাদী-জঙ্গীবাদী-সাম্প্রদায়িক শক্তির সরকার হতে পারে না। তাই মহাজোট সরকারের ব্যর্থতার কোন সুযোগ নাই। ভুল করার কোন সুযোগ নাই। নিজেদের ভুলে শত্রুকে সুযোগ দেয়ার কোন সুযোগ নাই। জনাব ইনু প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘একলা চল নীতি পরিহার করে ঐক্যের শক্তি কাজে লাগিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর খালেদার ষড়যন্ত্র প্রতিহত করুন। শাসন-প্রশাসনের ভুল-ত্রুটি সংশোধন করুন। অদক্ষ-অযোগ্য মন্ত্রী-আমলাদের বোঝা কাঁধ থেকে নামিয়ে ফেলুন। আগামী দুই বছরের প্রতিটি দিন কাজে লাগান।’ তিনি জাসদ ও ১৪ দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আছে বলে, বিশ্রাম নেয়া বা টেন্ডার বাক্সের দিকে তাকিয়ে থেকে দিন পার করার সময় নেই।’ তিনি যুদ্ধাপরাধের বিচারের ষড়যন্ত্র মোকাবেলা, শাসন-প্রশাসনে ভুল-ত্রুটি সরকারকে দেখিয়ে দিয়ে সরকারকে সঠিক পথে পরিচালিত করা, জনগণের দুঃখ-কষ্ট-দুর্ভোগ দুর করতে জনগণের পাশে থেকে রাজপথে সোচ্চার ভূমিকা পালন করার জন্য জাসদ ও ১৪ দলের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান। জনাব ইনু আজ ৩১ অক্টোবর সোমবার বিকাল ৪ টায় ঢাকা মহানগর নাট্যমঞ্চে জাসদের ৩৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির ভাষণে এ কথা বলেন।
 
জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জাসদের সাধারণ সম্পাদক জনাব শরীফ নুরুল আম্বিয়া, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা মন্ডলির সদস্য এবং জাতীয় সংসদের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি প্রবীণ জননেতা বাবু সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এমপি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি জননেতা রাশেদ খান মেনন এমপি, জাসদের কার্যকরী সভাপতি জনাব মইনউদ্দিন খান বাদল এমপি, জাসদের সহ-সভাপতি এড. শাহ জিকরুল আহমেদ এমপি, গণআজাদী লীগের সভাপতি, ১১ দল নেতা হাজী আবদুস সামাদ, গণতান্ত্রিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও ১১ দলের সমন্বয়ক নুরুর রহমান সেলিম, কমিউনিস্ট ঐক্য কেন্দ্রের সভাপতি ও স্কপের সমন্বয়ক প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম, গণতান্ত্রিক মজদুর পার্টির সভাপতি জনাব জাকির হোসেন, জাসদ ঢাকা মহানগর সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক মীর হোসাইন আখতার, জাসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ খালেদ, জাসদ ঢাকা মহানগর সমন্বয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আখতার, জাসদ ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি শফি উদ্দিন মোল্লা, জাসদ ঢাকা মহানগর পূর্বের সভাপতি শহীদুল ইসলাম, জাসদ ঢাকা মহানগর পশ্চিমের সভাপতি মাইনুর রহমান, জাসদ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইদ্রিস ব্যাপারী, জাতীয় নারী জোটের আহ্বায়ক আফরোজা হক রীনা, বাংলাদেশ জাতীয় শ্রমিক জোটের সহ-সাধারণ সম্পাদক কাজী সিদ্দিকুর রহমান, জাতীয় কৃষক জোটের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম বাবু, জাতীয় যুব জোটের সভাপতি রোকনুজ্জামান রোকন প্রমূখ। সভা পরিচালনা করেন জাসদের সাংগঠনিক সম্পাদক করিম সিকদার।
 
সাধারণ সম্পাদকের ভাষণে জনাব শরীফ নুরুল আম্বিয়া বলেন, দেশ আজ এক অস্বস্থিকর পরিস্থিতি অতিক্রম করছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও জঙ্গী সন্ত্রাস নির্মূলের ম্যান্ডেট প্রাপ্ত মহাজোট সরকারের সবকিছু ভাল যাচ্ছে না। বাজার নিয়ন্ত্রণহীন, মুদ্রাস্ফীতি ক্রমবর্ধমান, শাসনব্যবস্থায় শৃংখলা ও গতি নেই। খালেদা জিয়া এই সুযোগে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচাল করা এবং জঙ্গী-সন্ত্রাসী-দুর্নীতিগ্রস্থদের মুক্ত করার জন্য আগ্রাসী ও মরিয়া হয়ে উঠেছে। তিনি দেশের জনগণকে বিএনপি-জামাতের এ উস্কানীতে পা না দয়োর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, যে কোনে মূল্যে বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাস্তবায়িত হবে এবং জঙ্গী-সন্ত্রাসীদের নির্মূল করার প্রক্রিয়া চলবে। তিনি সরকারকে বিরোধী দলের শক্তিকে খাটো না করে দেখা এবং প্রশাসনের শক্তিকে অতিমূল্যায়িত না করে রাজনৈতিক ঐক্যর শক্তিকে ব্যবহার করার আহ্বান জানান। তিনি দেশ ও জাতির স্বার্থে অসাম্প্রদায়িক আদর্শের রাজনীতি এগিয়ে নিতে ১৪ দলকে সক্রিয় এবং বৃহত্তর অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তিনি আঞ্চলিক সহযোগিতাকে জোরদার করার জন্য হাসিনা-মনমোহন স্বাক্ষরিত সহযোগিতা চুক্তিকে অগ্রসর করে নেয়ার আহ্বান জানান। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলা এবং উপজেলা সদরে আলোচনা সভা, সমাবেশ, র‍্যালির মাধ্যমে দলের ৩৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করা হয়।
 
জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি জননেতা নুরুদ্দীন জাহেদ মঞ্জুর ইন্তেকাল
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সহ-সভাপতি জননেতা নুরুদ্দীন জাহেদ মঞ্জু আজ মঙ্গলবার দুপুর ২ টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম শহরের হালিশহর দেওয়ানজী পুকুর লেনস্থ নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন (ইন্না ------ রাজেউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই পুত্র সহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন-গুণগ্রাহী ও রাজনৈতিক সহকর্মী রেখে গেছেন। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ নানাবিধ রোগে ভুগছিলেন। আগামীকাল বুধবার বাদ আছর চট্টগ্রাম জামিয়াতুল আলা মসজিদ প্রাঙ্গণে নামাজে জানাজা শেষে হালিশহর পারিবারিক গোরস্থানে মা-বাবার কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।
Read more...
 
চট্টগ্রামে নুরুদ্দীন জাহেদ মঞ্জুর দাফন সম্পন্ন

চট্টগ্রামের বিশিষ্ট রাজনীতিক, জাসদের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি অধ্যাপক নুরুদ্দীন জাহেদ মঞ্জুর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আজ বুধবার বাদ আছর চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে মরহুম অধ্যাপক নুরুদ্দীন জাহেদ মঞ্জুর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সকালে ঢাকা থেকে রওনা হয়ে জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শরীফ নুরুল আম্বিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক নইমুল আহসান জুয়েল সহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ জানাজায় অংশগ্রহণ করেন। এ ছাড়াও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মঞ্জুরুল আলম, সিডিএ চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক দানু, এম এ লতিফ এমপি, সাবেক সংসদ সদস্য কফিল উদ্দিন, বিশিষ্ট সাংবাদিক সাবের আহমেদ আজগারী সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং কয়েক হাজার মানুষ জানাজায় অংশ নেন। জানাজা শেষে তাকে হালি শহরের পৈত্রিক বাসভবন সংলগ্ন পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়।

জানাজা শুরুর পূর্বে তার কফিনে জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পুস্পমাল্য অর্পণ করে তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

উল্লেখ্য, প্রয়াত নুরুদ্দীন জাহেদ চট্টগ্রামের বিখ্যাত রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। তার পিতা মরহুম এম এ আজিজ ছিলেন বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহচর এবং জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের অগ্রপুরুষ। মরহুম নুরুদ্দীন জাহেদ মঞ্জু দীর্ঘদিন যাবৎ পক্ষাঘাতে আক্রন্ত হয়ে অসুস্থ ছিলেন। গতকাল দুপুর ২:২০ মিনিটে চট্টগ্রাম শহরের হালিশহর দেওয়ানজী পুকুর লেনস্থ নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন।
 
জাসদ ঢাকা মহানগর পশ্চিমাঞ্চলের প্রতিনিধি সভা
খালেদা জিয়া তাঁর বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সংবিধান-গণতন্ত্র-মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরুদ্ধেই যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন-ইনু
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু এমপি বলেছেন, খালেদা জিয়া যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে সাফাই গেয়ে আবারো প্রমাণ করেছেন নিরপেক্ষ নির্বাচন নয়, যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোই তাঁর আসল উদ্দেশ্য। খালেদা জিয়ার উদ্দেশ্য নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে তিনি সংলাপ বা আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করতেন না। খালেদা জিয়া তাঁর বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সংবিধান-গণতন্ত্র-মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরুদ্ধেই যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। জনাব ইনু, যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর ধানাই-পানাই ছেড়ে নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান ও নির্বাচনকালীন অন্তবর্তী সরকারের রূপরেখার সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব নিয়ে আলোচনায় বসার জন্য খালেদা জিয়ার প্রতি আহ্বান জানান। তিনি একই সাথে খালেদা জিয়াকে জল ঘোলা করার সুযোগ না দিয়ে, নির্বাচনকালীন অন্তবর্তী সরকারের রূপরেখা ও ঐকমত্যের ভিত্তিতে নতুন নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের পদ্ধতি নিয়ে জাতীয় সংলাপের উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
Read more...
 
«StartPrev12345678NextEnd»

Page 6 of 8
 
Profile

Hasanul Haq Inu MP হাসানুল হক ইনু এমপি

সভাপতি

Sharif Nururl Ambiaশরীফ নূরুল আম্বিয়া

সাধারণ সম্পাদক